মেকাপ প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং কনসিলারের ব্যবহার এবং পার্থক্য সমূহ - মায়া

মেকাপ প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং কনসিলারের ব্যবহার এবং পার্থক্য সমূহ

নতুন নতুন মেকাপ করতে গিয়ে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং কনসিলার এই শব্দগুলো আপনার কাছে নতুন ও দ্বিধার কারণ মনে হতে পারে ।

বিশ্বায়নের এই যুগে কাজের প্রয়োজনে প্রতিদিনই আমাদের বাইরে বের হতে হচ্ছে। কেউ কর্মস্থলে, কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবার কেউ বা ঘরকেই বানিয়ে নিয়েছেন নিজের কর্মস্থল।

ত্বকের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি ঘরে বাইরে নিজেকে একটু পরিপাটি এবং ব্যতিক্রম করে উপস্থাপন করতে মেকাপের কোন জুড়ি নেই। আমি বলব বিকল্প ও নেই।

যারা নতুন নতুন মেকাপ শিখছেন বা এ সম্পর্কে জানছেন তাদের কাছে মনে হতেই পারে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন কিংবা কনসিলার এই জিনিসগুলো আসলে কি? কোনটার কাজ কি? এদের মধ্যে পার্থক্যটাই বা কি?

মায়ার বিউটি এক্সপার্ট থেকে এসবের আদ্যোপান্ত জানতে পুরো লেখাটি পড়ুন।

মেকাপ এ প্রাইমার এর ব্যবহার  

মেকআপ প্রয়োগ করার সময় প্রথমেই আপনার কি চাওয়া থাকে? আপনার মেকআপ যেন দীর্ঘ স্থায়ী হয়  এবং আপনার ত্বক যেন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল দেখায় তাই তো?

তাহলে, প্রাইমার ব্যবহার করুন। প্রাইমার ফাউন্ডেশন ও অন্যান্য মেকাপ প্রোডাক্টের জন্য মুখের উপর একটি মসৃণ ভিত্তি তৈরী করে।

প্রাইমার ব্যবহারে আপনার মুখের পোরস গুলো হালকা হবে, ফাইন লাইনগুলো মসৃণ হবে, ডিস্কালারেশন থাকলে তা দূর হবে।

প্রাইমার মেকাপকে অনেকক্ষণ ত্বকে সেট করে রাখতে সহায়তা করবে।   তবে, এটি ব্যবহারের পূর্বে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না। 

ফাইন্ডেশন এর ব্যবহার  

আপনার মনে দ্বিধা থাকতে পারে প্রথমে কনসিলার নাকি ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে এই নিয়ে। সাধারণত ফাউন্ডেশন মেকাপের দ্বিতীয় ধাপেই ব্যবহার করা হয়। তবে অনেকে কন্সিলার লাগিয়ে পরে ফাউন্ডেশন লাগাতে পছন্দ করেন।

আপনার ত্বকের ধরণ এবং শেড অনুযায়ী সঠিক ফাইন্ডেশন আপনার ত্বকের ত্রুটিগুলো ঢাকতে, আনইভেন স্কিন টোন থাকলে তা দূর করবে, এবং আপনার পছন্দের ফিনিশিং যেমন- ম্যাট, ডিউই , স্যাটিন বা ন্যাচারাল পেতে সহায়তা করবে।

ফাইন্ডেশনের কারণে অন্যান্য মেকাপ প্রোডাক্ট যেমন- ব্লাশ, হাইলাইটার এবং কনসিলার ত্বকের উপর ভালোভাবে বসবে এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ দেখাবে না।   

ফাউন্ডেশনের কারণে ত্বকে কেকিভাব এড়াতে একটি ভেজা স্পঞ্জের মেকাপ ব্লেন্ডারের সাহায্যে ফাউন্ডেশন ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এতে, অরিতিক্ত প্রোডাক্ট আপনার ত্বকে ভেসে থাকবে না।

বিভিন্ন ধরণের এবং বিভিন্ন শেডের ফাউন্ডেশন পাওয়া যায় যেমন- পাউডার, ক্রীম, লিকুইড ইত্যাদি।

আপনার ত্বকের সাথে মিলিয়ে শেড নির্বাচন করে ত্বকের ধরণ অনুযায়ী আপনি যেকোন বেইজের ফাউন্ডেশন নির্বাচন করতে পারেন। 

ফাইন্ডেশন এর ব্যবহার  

কারও ত্বকই পারফেক্ট নয়। ত্বকে দাগ ছোপ, ডিসকালারেশন, ডার্ক সার্কেল থাকতেই পারে।

এ সমস্যাগুলো ইন্সট্যান্টলি ঢেকে দিতে কনসিলার জাদুর মত কাজ করে। কনসিলার ব্রাশ কিংবা আঙ্গুলের সাহায্যে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে কনসিলার লাগান।

আপনার স্কীন টাইপ নাই হোক না কেন মায়ার বিউটি এক্সপার্টের পরামর্শ হল ২ ধরণের কনসিলার সাথে রাখা।

একটি শেড চোখের নিচের ডার্কসার্কেল ঢাকার জন্য, অন্যটি ত্বকের দাগ ঢাকার জন্য। 

প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং কনসিলারের মধ্যে পার্থক্য 

মেকাপে প্রাইমার, ফাউন্ডেশন এবং কনসিলারের ব্যবহার সম্পর্কে তো জানলেন। আসুন এদের পার্থক্যগুলোও জেনে নেই- 

প্রাইমার, ফাউন্ডেশন ও কনসিলারের পার্থক্য

আশাকরি, যারা নতুন মেকাপ শিখছেন তাদের সহায়তা করতে পেরেছি।

মেকাপ নিয়ে যে কোন প্রশ্নের উত্তর জানতে মায়ার বিউটি এক্সপার্টকে প্রশ্ন করুন ।

Leave a Reply

Categories