করোনা মহামারী মোকাবেলায় তরুণদের করনীয় - মায়া

করোনা মহামারী মোকাবেলায় তরুণদের করনীয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর ডিরেক্টর জেনারেল  তেদ্রোস আধানম গেবিয়াসেস বলেছেন- সংক্রমণ কমাতে তরুণরা ই পারে অগ্রণী ভুমিকা রাখতে। তিনি বলেন তরুণরা অপরাজেয় নয়। এই ভাইরাস সংক্রমণ তাদের ১ সপ্তাহে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতে পারে অথবা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন- যদি আপনি অসুস্থ নাও হন আপনি কোথায় যাচ্ছেন তা, কারও জন্য জীবন বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এটি খুশির বিষয় যে, অনেক তরুণ ই সচেতনতা ছড়াচ্ছে, করোনা নয়। সামাজিক দূরত্ব শুধু দেশে দেশে বাড়ালেই হবে না। এটি বয়স্কদের সাথেও বাড়াতে হবে তাদের নিরাপত্তার জন্য।  

পুরো পৃথিবী এখন চরম দুর্যোগের মধ্যদিয়ে পার করছে। একমাত্র সচেতনতায় পারে আমাদের রক্ষা করতে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। ঘরে থাকুন। কারণ আপনার ঘরে থাকার সিদ্ধান্ত অন্য আরেকজনকে উৎসাহিত করবে, অন্য কোন মানুষকে নিরাপদ রাখবে। 

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তুলনামূলক তরুণদের গতিবিধি সবচেয়ে বেশী। তাদের থামিয়ে রাখা আসলেও  কঠিন। সবারই এখন স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। এই সুবাদে অনেকেই হয়ত বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন রাস্তা ঘাটে, পাড়ার টি স্টলে কিংবা কোন রেস্টুরেন্টে ।নিজের অজান্তেই হয়ত আপনি বাহক হিসেবে ভাইরাস নিয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের জীবন হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছেন। 

আবার এই তরুণদের ই কেউ কেউ জীবনের তোয়াক্কা না করে ভলান্টিয়ার হিসেবে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছে এই আপদকালীন সঙ্কট কাটিয়ে উঠার জন্য। আপনি কোন দলে? আপনি যে দলেই হন না কেন আপনার ঘরে থাকার একক সিদ্ধান্ত, আপনার সচেতন থাকার সিদ্ধান্ত, আপনার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত থামিয়ে দিতে পারে অনেক সংক্রমণ।      

জীবন জীবিকার প্রয়োজনে যে মানুষগুলোকে পথে বের হতেই হচ্ছে তাদের সুরক্ষার জন্য হলেও আপনি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হবেন না। হাসপাতালের ডাক্তার, স্টাফ, নার্সরা আপনাকে কিংবা আপনার প্রিয়জনকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছেন, সংবাদকর্মীরা আপনাকে সর্বশেষ খবর পৌঁছে দিতে মাঠে রয়েছেন, পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা আপনার সুরক্ষার জন্য আজ বাইরে, তাদের জন্য, তাদের পরিবারের জন্য কি আপনি পারেন না ঘরে থাকতে? সিদ্ধান্ত এখন আপনার।   আপনার শারিরীক, মানসিক সমস্যার সমাধান পেতে মায়াতে প্রশ্ন করুন। সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।         

Leave a Reply