হোম কোয়ারেন্টিং যাদের জন্য জরুরী

আপনি করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে করনীয় সব কিছুই করছেন নিয়মিত হাত ধুচ্ছেন, হাত মুখে দেওয়া থেকে বিরত থাকছেন, জনসমাগম এড়িয়ে চলছেন তারপরও আপনি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারেন যখন আপনার নিজেকে একজন  COVID-19 আক্রান্ত রোগী মনে হতে পারে। 

হয়ত আপনি নিজে সতর্ক ছিলেন কিন্তু আপনার অফিসের কিংবা পরিবারের কেউ এই ভাইরাস বহনকারীর সংস্পর্শে এসেছিল এবং তার মাধ্যমে আপনি আক্রান্ত হতেই পারেন।যখনই আপনি নিজের মধ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবার লক্ষণগুলো দেখতে পাবেন আপনার প্রথম কাজ হল সেলফ কোয়ারেন্টাইন করা এবং আই ই ডি সি আর এর সাথে যোগাযোগ করা। 

কারা এই সেলফ কোয়ারেন্টাইন করবেন? 

যদি আপনার এই নতুন ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার কোন সম্ভাবনা থেকে থাকে তবে আপনার সেলফ কোয়ারেন্টাইন করা প্রয়োজন হতে পারে। 

আপনি কোভিড-১৯ সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন যদি:

  • আপনি সম্প্রতি সংক্রমিত দেশগুলোতে ভ্রমণে গিয়ে থাকেন। 
  • যদি আপনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যাক্তির সংস্পর্শে বা যে ব্যক্তি সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রদত্ত সতর্কতাগুলো মানছেন না এরূপ কোন ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে থাকেন। 

 আপনি কোভিড-১৯ সংক্রমণের মাঝারি ঝুঁকিতে রয়েছেন যদি:

  • বর্তমানে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত দেশগুলিতে কিছুদিন পূর্বে ভ্রমণে গিয়ে থাকেন।
  • যদি কোন নিশ্চিত সংক্রমিত ব্যক্তি অথবা সন্দিহান সংক্রমিত ব্যক্তির কাছাকাছি এসে থাকেন। (এখানে কাছাকাছি বলতে ১ মিটার বা তার কম দূরত্বকে বুঝানো হয়েছে )। 
  • যদি আপনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যাক্তির সংস্পর্শে বা যে ব্যক্তি সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রদত্ত সতর্কতাগুলো মানছেন না এরূপ কোন ব্যক্তির সতর্কতা মেনে যত্ন বা সেবা নিয়ে বা দিয়ে থাকেন। 

যদি আপনার ভাইরাস আক্রান্তের কোন ধরণের কোন লক্ষণ বা সম্ভাবনা না থেকে থাকে তবে আপনার কোয়ারেন্টাইন করার প্রয়োজন নেই। তবে সতর্কতা স্বরূপ অবশ্যই সর্বদা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে এবং সংক্রমণের কোন ধরনের লক্ষণ আছে নাকি সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। সচেতন থাকুন, পরামর্শের জন্য মায়ার হটলাইনে ফোন করুন।

Leave a Reply