সময় ও অর্থ উশুলকারী যুগান্তকারী কিছু টিপস যা সবারই জানা প্রয়োজন

আমরা সব সময়ই ত্বকের প্রতি কম বেশী যত্নশীল। এজন্য আমরা সব সময়ই সময় বাঁচে কিন্তু উপকারী এমন কিছু  বিউটি টিপস বা পরামর্শ খুজে থাকি। ব্যস্ত এবং কর্মজীবী মেয়েরাও পারে নিজের জন্য কিছু সময় বাঁচিয়ে ত্বকের যত্ন নিতে ও ফিটফাট থাকতে।যারা দামী মেকাপ প্রোডাক্ট কিনে ও ব্যবহার না করে অর্থ ও সময় বাঁচাতে চান এবং খুব অল্প প্রসাধনী ব্যবহার করেই নিজেকে উপস্থাপনীয় ও ফিটাফাট দেখাতে চান, তারা চলুন ত্বকের যত্ন ও সাজগোজ সম্পর্কিত কিছু টিপস জেনে নেই, যা অনুসরণ করে খুব অল্প সময় ব্যয় করেই আপনি পেতে পারেন স্বাস্থ্যজজ্বল ত্বক, চুল এবং ফিটফাট সাজ।        

(১) ত্বকের যত্ন মানেই শুধু মুখের ত্বকের যত্ন নয়ঃআমরা অনেক সময়ই ত্বকের যত্ন বলতে শুধুমাত্র মুখের ত্বকের যত্নকে বুঝি এবং ত্বকের অন্যান্য অংশের প্রতি উদাসীনতা দেখিয়ে থাকি যা, একেবারেই অনুচিত। কারণ, আপনি মুখের ত্বকের অনেক যত্ন করে সুন্দর করলেন কিন্তু গলার ও হাতের ত্বকের যত্ন নিলেন না এই বৈসাদৃশ্য ই কিন্তু আপনার ত্বকের বয়সকে অনেক গুন বাড়িয়ে তোলে। যখনই বাইরে বের হবেন মুখের পাশাপাশি হাতে ও গলায় অর্থাৎ ত্বকের যে অংশগুলো বাইরে থাকে সে জায়গাগুলোতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।  

(২) সানস্ক্রিন হল সবচেয়ে কার্যকরী এন্টি এজিং প্রোডাক্টঃ এন্টি এজিং যত্ন শুরু হয় সানস্ক্রিন দিয়ে। রোদ আপনার ত্বকের বয়স বৃদ্ধিকে ত্বরানিত্ব করে। ত্বকে কালো ছোপ, ফাইন লাইন পড়া, মেছতার পেছনে অন্যতম কারণ হল রোদ বা রান্নার চুলার তাপ। চেষ্টা করুন নুন্যতম এস পি এফ ৩২ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে এবং ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর পুনরায় ব্যবহার করতে। সানগ্লাস, লম্বা হাতার জামা ইত্যাদিও রোদ থেকে বাঁচতে আপনাকে সহায়তা করবে।ত্বক পরিষ্কারময়শ্চারাইজ করুন নিয়মিত। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনি আপনার ত্বককে বহুদিন দাগ, পিমপল ও একনি মুক্ত রাখতে পারবেন যার ফলে এগুলো ঢাকার জন্য আলাদা করে আপনাকে কনসিলার বা হাই কভারেজ ফাউন্ডেশন কেনা লাগবে না।   

(৩) সহজে চোখে আইলাইনার লাগানোর উপায়ঃঅনেক মেয়েরাই চোখে আইলাইনার সুন্দর করে আঁকতে বা ফলস ল্যাস ঠিকভাবে পরতে পারেন না। এগুলো বিষয়ে পারদর্শী হওয়া ছাড়াও চোখ কে বড় দেখানো যায় খুব সহজ কিছু টেকনিক অবলম্বন করে। আইলাইনার এর সাহায্যে চোখের ভিতরের কর্নার থেকে বাইরের কর্নার পর্যন্ত ছোট ছোট ডট দিয়ে পরে ডট গুলো সংযুক্ত করে দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত লাইনটি। যা আপনার চোখকে বড় দেখাতে সাহায্য করবে কোন দামী প্রোডাক্ট কেনা ছাড়াই।  

(৪) ড্যামেজড চুল নিয়মিত বিরতিতে ছাটতে হবেঃ প্রতিনিয়ত হিট যুক্ত হেয়ার স্ট্রেটনার বা হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহারের ফলে চুল খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। ড্যামেজড অংশগুলো  নিয়মিত ছাটাই করলে চুল বড় হতে ও স্বাস্থ্যজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে। ২ মাস পর পর ফেটে যাওয়া আগার শেষ এক ইঞ্ছির ১/৪ ভাগ ছাটাই করে ফেলতে হবে। চুলকে নিয়মিত পরিষ্কার করা, ডিপ কন্ডিশনিং করা ও মাঝে মাঝে তেল দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলা এগুলো ও করতে হবে সময় বের করে। এভাবে যত্ন নিলে এমনিতেই আপনার চুল সমস্যামুক্ত ও সুন্দর থাকবে যা সাজাতে একটি ফুল ই যথেষ্ট।  

একটু সময় বের করে প্রতিদিন নিজের যত্ন নিন তাহলে আপনার ত্বক সুস্থ ও সুন্দর থাকবে বহুদিন। কোন ধরনের মেকাপ বা দামী প্রসাধনী ছাড়াই হয়ে উঠুন অন্যন্যা। ত্বকের যে কোন সমস্যায় মায়াতে প্রশ্ন করে ফ্রিতে জেনে নিন বিউটি এক্সপার্টের পরামর্শ।