ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিছু পরামর্শ

ছবি সূত্রঃ গুগল

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কিছু পরামর্শ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রথম উপায় হিসেবে আমরা লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট অনুসরণ করে থাকি। এদের মধ্যে কিটো   খুব ই কার্যকারী। কারণঃ 

  • এ ডায়েট উচ্চরক্ত চাপ ও রক্তের  গ্লুকোজ হ্রাস করে, যা ডায়াবেটিসের অন্যতম কারণ। 
  • কম কার্বোহাইড্রেট এর  ডায়েট অনুসরণ করলে কোন কোন ক্ষেত্রে ঔষধ না খেলেও চলে । 
  • অন্য ধরনের ফার্মাকলজিক্যাল চিকিৎসার ন্যায় এই ডায়েটের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
  • বিভিন্ন ধরনের লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েটের মধ্যে একটি হল কিটজেনিক ডায়েট। 
  • চলুন এই ডায়েট সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেয়া যাকঃ 

কেটো কি?

এটি কম শর্করা যুক্ত ও প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটযুক্ত, মাঝারি প্রোটিনের সমন্বয়যুক্ত ডায়েট। এর মাধ্যমে শরীর কেটোসিসের অবস্থায় চলে যায় যার অর্থ এটি কার্বসের পরিবর্তে জ্বালানী হিসাবে চর্বি ব্যবহার করে। কিটোতে থাকা ব্যক্তি স্ট্যান্ডার্ড ফুড পিরামিড অনুসরণকারী ব্যক্তির তুলনায় কম ক্যালোরি ঘাটতি  অনুভব করবেন।  

কেন করবেন ?

  • এই ডায়েটে অন্য ডায়েটের তুলনায় ক্ষুধা কম লাগবে। 
  • দুপুরের খাবারের ঘুমের পরে আপনি সাধারণত ঘুম অনুভব করবেন  না।  
  • প্রথমে কষ্ট হলেও পরে এটি বেশ সহজ হয়ে যায়। 

আপনার ব্লাড সুগার নিয়মিত ভাবে চেক করার জন্য কিনতে পারেন ডায়াবেটিক চেক আপ মেশিন  মায়া ফার্মেসী থেকে।  ডিসকাউন্ট পেতে ব্যবহার করুন এই কোড টি masuma15. মায়া প্রেসক্রিপশন সার্ভিস এ ডিসকাউন্ট পেতে এই কোডটি এপ্লাই করুন ct50.  

ডায়েট শুরুর আগে কেন দুবার ভাববেন ? 

  • প্রথম কয়েক সপ্তাহ শারীরিক এবং সামাজিকভাবে অভ্যস্ত হতে হবে। 
  • ডায়েটে অভ্যস্ত হওয়ার সময় আপনার “কেটো ফ্লু” হিসাবে খুব অলসতা বোধ হবে। এটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান এবং প্রায় ২০০০ – ৪০০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম , কিছু পটাসিয়াম ও থেকে ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ পরিচয় গোপন রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পরামর্শের জন্য কিনুন  করতে ভুলবেন না । তবে এই সমস্যাগুলো সাধারণত ২ সপ্তাহের মধ্যে চলে যাবে।বন্ধুদের সাথে বাইরে গেলে আপনি যদি তাদের খাবারের দিকে ঝুঁকেন তবে এই ডায়েটটি আপনার সহায়ক হবে না।  
  • আপনার ঘরে যদি এখনও প্রচুর জাঙ্ক ফুড থাকে তবে আপনার জন্য ধৈর্য ধারণ করা কঠিন হতে পারে।

সাধারণ ভুল ধারণা

প্রশ্নঃ বেশি পরিমাণে ফ্যাট খেলে আমি কি মোটা হয়ে যাব?

উত্তরঃ ফ্যাট তৈরী হয় অধিক ক্যালোরি গ্রহণের মাধ্যমে। আপনি পরিমান মত ক্যালরি খেলে মোটা হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই.

পরিচয় গোপন রেখে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শের জন্য মায়া ইন্সটল করুন। 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories